All bangla pdf

ঘুণপোকা - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় Ghunpoka Shirshendu Mukhopadhyay pdf

ঘুণপোকা - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় Ghunpoka Shirshendu Mukhopadhyay pdf


বইয়ের নামঃ ঘুণপোকা


লেখকঃ শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়


পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৬৩


সাইজঃ ৫.৭ এমবি


ফরম্যাটঃ পিডিএফ


টেক্স ফরম্যাটঃ এইচডি স্ক্যান


রেজুলেশনঃ ৬০০ ডিপিআই


বইয়ের ধরণঃ উপন্যাস




[caption id="" align="aligncenter" width="350"]ঘুণপোকা - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় Ghunpoka Shirshendu Mukhopadhyay pdf ঘুণপোকা - শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় Ghunpoka Shirshendu Mukhopadhyay pdf[/caption]

 

 

Download link Server 1


or


Download link Server 2


or


Download link Server 3




ঘুণপোকা রিভিউ





শ্যাম,  পুরো নাম- শ্যাম চক্রবর্তী। বাবার নাম -কমলক্ষ চক্রবর্তী।  মা-বাবা ছাড়াও তার এক বোন ছিলো, তার বিয়ে হয়েছিলো এর পর আর কোন খোজ সে রাখেনি।  বাড়ি বিক্রমপুরে, বনিখাড়া গ্রাম।সে ছিল "সেইন্ট এন্ড মিলার" ফার্মের ছোট সাহেব। বছরের মাঝখানে জুন মাসে চাকরি টা শ্যাম ছেড়ে দিলো। কারন তেমন গুরতর না। তার ড্রইংয়ে একটা ভুল থাকায়,  বড় সাহেব 'হরি মজুমদার' জানন্তিকে বলেছিলেন,  "বাস্টার্ড"(জারজ সন্তান)।অবশ্য মজুমদার শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে গালাগাল দেয়। তা ছাড়া এত কাল শ্যাম,  হরিমজুমদার এর অনেক হাব ভাব, কথাবার্তা নকল করে আসছিলো। মাঝে মাঝে বেয়াড়া এবং দুয়েক জন শিক্ষানিবিশ ড্রাফট ম্যান কে,  মজুমদারের মার্কামারা গালাগাল গুলো একই ভঙ্গিতে একই সুরে উপহার দিয়ে আসছিলো। এমনকি তার বিশ্বাস আসছিলো যে, পুরনো এসব গালাগাল তেমন একটা কাজে দেয় না। তাই খুব তারাতারি নতুন কিছু গালাগাল আবিস্কার হওয়া চাই।
যে দিন মজুমদার তাকে বাস্টার্ড বলে অবিহিত করলো,সে দিন থেকে শ্যাম একটু অন্য মনস্ক। 'টাই' এর নট নাড়াছাড়া করলো,বাথরুমের আয়নায় নিজেকে দেখল অনেক্ষন,সন্ধ্যে বেলায় গুম মেরে থাকলো। কিন্তু কিছুতেই তার মন ভালো হল না। নিজেকে অনেক বুঝালো,  এসব গালাগাল কিছুই না। মজুমদার অর্থ ভেবে গাল দেয় না।  শুধু মাত্র শব্দ ব্যবহার করে রাগ প্রকাশ করে মাত্র।সে নিজেও তো কতজন কে গালাগাল করেছে,  লোক কে সে যা দিয়েছে তা ফেরত পেতে তার এত অনীহা কেন..? তাছাড়া সে চাকরি ছাড়ার কথা ভাবতে পারেনা কেন না,  তার চাকরির অবস্থান ভালো।  কিছুদিনের মধ্যে সোনার ডিম পারবে। ইতিমধ্যে বাজার ঘুরে ফ্রিজিডেয়ার ও রেডিয়োগ্রাম এবং পুরনো ছোট মটর গাড়ির দাম জানার চেষ্টা করেছে।বড়লোকের নিরিবিলি পাড়ায় দুই বা তিন ঘরের একটা ফ্ল্যাটের সন্ধানও করেছিলো। তবুও সে খুব অসহায় বোধ করলো।ক্লান্তি বাড়তে থাকলো।শিস দিয়ে হাটা, রবিবারে শ্যাম্পু করা, ছুটির দিন বিকালে ঘুমানো এসব আর তেমন জমল না। অবশেষে ভয়ংকর অবসাদে এক গ্রীষ্মের মধ্যরাতে,  টেবিল ল্যাম্প জ্বেলে সে তার ইস্তফা পত্রটি লিখে ফেলল। সেই সাথে চিঠি লিখল তার মাকেও।  সে রাতে তার বেশ ভালো ঘুম হলো। ঘুণপোকা উপন্যাসে দিন পাল্টে গেল শ্যাম এর।  শৌখিন জিনিস এর মধ্যে তার ঘরে ছিলো,  ভাড়া করা একটা ওয়াডরোব আর একটা বুক কেস। একদিন রুপশ্রী ফার্নিচারের লোক এসে ঠেলাগাড়ি করে উঠিয়ে নিয়ে গেল। কাপড়ের স্তুপ আর বই এর ছড়াছড়ি আসবাব হীন ঘর টাকে শ্যাম এর চোখে বেশ বড় লাগল।  সুখ অনুভব করলো সে।  ভারমুক্ত হলো।
যে লোকটি টেরিলিন, ট্রপিকেল বা স্লিকের শার্ট-প্যান্ট এমনকি বিদেশী টাই ছাড়া বাইরে বের হওয়ার চিন্তা করতে পারতো না,  সে লোকটাই সুটকেস আর ট্রাংকের তলা থেকে পুরনো সুতি ঢোলাঢোলা কয়েকটা শার্ট-প্যান্ট খুজে বের করলো। সে গুলো পড়ে নিজেই অবাক হলো বটে,  তবে তাই পড়ে চাকরি খুজতে বের হলো।


দ্য সিক্রেট – রঁডা বার্নের THE SECRET BY RHONDA BYRNE


Post a Comment

[blogger][disqus][facebook][spotim]

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget